বিমানবন্দরে তরুণের পেট থেকে বের হলো ২ হাজার ইয়াবা

বিমানবন্দরে তরুণের পেট থেকে বের হলো ২ হাজার ইয়াবা

অপরাধ ও বিচার দিনাজপুর প্রতিদিন দিনাজপুরের খবর

 

বিমানবন্দরে তরুণের পেট থেকে বের হলো ২ হাজার ইয়াবা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে ঘোরাফেরা করছিলেন এক তরুণ। তাঁর উদ্দেশ্যবিহীন এ গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের। এরপর তাঁকে আটক করে তাঁর পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে গতকাল সোমবার রাত আটটার দিকের ঘটনা এটি। ওই তরুণের নাম স্বপন মিয়া। এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক প্রথম আলোকে জানান, ওই তরুণের পাকস্থলী থেকে প্রায় দুই হাজার ইয়াবা বের করা হয়েছে।

এপিবিএনের সদস্যরা জানান, গতকাল রাত আটটার দিকে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন স্বপন মিয়া। এ সময় তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। একটু পর তিনি স্বীকার করেন যে তাঁর পাকস্থলীতে ইয়াবা আছে।মোহাম্মদ জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, এসব তথ্য পাওয়ার পর স্বপন মিয়াকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক্স–রে করে দেখা যায়, তাঁর পাকস্থলীতে ইয়াবা। পরে স্বপন মিয়া পায়ুপথের মাধ্যমে একে একে ইয়াবার ৪০টি ক্যাপসুল বের করে দেন। এ ক্যাপসুলগুলো থেকে ১ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
স্বপন মিয়ার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ।

সূত্রঃ প্রথম আলো 

Dinajpur Today

বিমানবন্দরে তরুণের পেট থেকে বের হলো ২ হাজার ইয়াবা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে ঘোরাফেরা করছিলেন এক তরুণ। তাঁর উদ্দেশ্যবিহীন এ গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের। এরপর তাঁকে আটক করে তাঁর পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে গতকাল সোমবার রাত আটটার দিকের ঘটনা এটি। ওই তরুণের নাম স্বপন মিয়া। এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক প্রথম আলোকে জানান, ওই তরুণের পাকস্থলী থেকে প্রায় দুই হাজার ইয়াবা বের করা হয়েছে।

এপিবিএনের সদস্যরা জানান, গতকাল রাত আটটার দিকে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন স্বপন মিয়া।এ সময় তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। একটু পর তিনি স্বীকার করেন যে তাঁর পাকস্থলীতে ইয়াবা আছে।মোহাম্মদ জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, এসব তথ্য পাওয়ার পর স্বপন মিয়াকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.