আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ । চিরিরবন্দর,দিনাজপুর।

দিনাজপুর প্রতিদিন শিক্ষা ও প্রগতি

দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে এ, বি, মোড়ে অবস্থিত এ, বি, ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ।

আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল টি স্থাপিত হয় ২০০০ সালে । স্কুলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. এম আমজাদ হোসেন এর মাতা আলহাজ্ব আমেনা খাতুন ৫ ই জুলাই ২০০০ সালে। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. এম আমজাদ হোসেন তার বাবা আব্দুল বাকী মন্ডল ও মাতা আমেনা বেগমের নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ করেন আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল। স্কুলটি প্রায় ১০ একর জমি নিয়ে স্থাপিত এবং ছেলে ও মেয়েদের আলাদা খেলার মাঠ আছে।

২৯শে জানুয়ারি ২০০১ সালে নার্সারী হতে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ১৪৩ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ১৩ জন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলটি। বিদ্যালয়টির আবাসিক চালু হয় ২০০১ সালের জুলাই মাসে ১৩ জন ছাত্র নিয়ে বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে আবাসিক ৪০০জন ছেলে ও ২৯৯ জন মেয়ে রয়েছে এবং বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০০ (বর্তমান) শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত। প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে শিক্ষক সংখ্যা ৭৮ জন ও ৪০ জন কর্মচারী রয়েছেন।

২০০২ সালে ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ২০০৩ সালে প্রথম প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ম,২য়,৩য় ও ৪ র্থ স্থান অর্জন করে। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে নিম্ন মাধ্যমিক(অষ্টম শ্রেণি) অনুমতি পায়।মাধ্যমিক অনুমতি না পাওয়ায় ২০০৭-২০০৮ সালে খোঁচনা এস.সি উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ২০০৮ সালে অষ্টম শ্রেণিতে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৩৭ জনেই বৃত্তি লাভ করে। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে মাধ্যমিক অনুমোদন পেলে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামে ৩৭ জন ছাত্র পরীক্ষায় আংশগ্রহন করে এবং শতভাগ পাশ করে।

২০১৩ সালে ৭৯ জন এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ জিপিএ ৫ পায় এবং দিনাজপুর বোর্ডের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করে এবং ২০১৫ সালে ১৫৮ জন জে এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫৮ জনেই জিপিএ ৫ অর্জন করে বোর্ডের মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করে।  ২০১৬ সালে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণে বিজ্ঞান বিভাগের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মোকলেছার রহমান ইমন জতীয় শ্রেষ্ঠ হওয়ায় গৌরব অর্জন করে।  ২০০৭ হতে ২০১৯  ১২ বছর(এক যুগ) শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করে। ২০১৪ সালে স্কুলটি একাদশ শ্রেণি খোলার অনুমোদন পায়।  বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান ও ব্যবস্যা বিভাগ চালু রয়েছে।

বিদ্যালয় সম্পর্কে প্রতিষ্ঠার কথাঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মতভাবে এলাকার শিশু কিশোরদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন করা হয়েছে। লক্ষ্য আলোকিত মানুষ তৈরী । বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব। আধুনিক বিশ্বের সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্যে আগামী প্রজন্মকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে। এখানে বাংলা ও ইংরেজী দুটি ভহাষার মাধ্যমে সমান গুরুত্ব দিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিজ্ঞান সম্মতভাবে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে তৈরি করা হয়। এজন্য দক্ষ উপযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো যুগোপযোগী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এখানকার সকল মেধাবী শিক্ষার্থী মেধা ও মননের স্বচ্ছ চিন্তার অধিকারী হবে এবং নতুন একবিংশ শতাব্দির প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য সক্ষম হবে।

আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এমন ভাবে শিক্ষার্থী তৈরী করবে যারা শুধু জাতীয় পর্যায়েই নয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য বয়ে আনবে, গড়ে তুলবে আলোকোজ্জ্বল একটি নতুন বিশ্ব যাদের নিয়ে গর্বে ভরে উঠবে আমাদের প্রাণ। ২০১৯ সালে এলাকার বেকার ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে ডাঃ আমজাদ ইনষ্টিটিউট অব এ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখান থেকে ছেলেমেয়েরা কারিগরী শিক্ষা গ্রহণ করে স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। এলাকার মানুষের সার্বিক উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য।

বিদ্যালয় সম্পর্কে পরিচালকের কথাঃ

আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ দীর্ঘ ১৯ বছর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গের শিক্ষার জগতে গুনগত শিক্ষা বিকাশে আলোকবর্তিকা হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যা কেবল বিজ্ঞাপন আকারে বর্ণনা করা সম্ভব নয়। নির্বিকারে বলতে হয় যে, অনেক প্রতিষ্ঠানের মূখরোচক নানা ভাষায় লেখা কিছু কথা যেমন- আমাদের প্রতিষষ্ঠানে প্রাইভেট পড়তে হয় না, ক্লাসের পড়া ক্লাসেই তৈরী করে দেয়া হয়, এসি ক্লাস রুম, কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, সহপাঠ কার্যক্রম, সহশিক্ষা ও শারীরিক শিক্ষযার (যদিও খেলার মাথ নেই, একটি বিল্ডিংয়ে স্কুল)  মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিপুর্ণ দেশ প্রেমিক মানুষ হিসেবে গরে তোলা হয় এ ধরনের চিত্তাকর্ষক লিফলেট ব্রুসিয়ার, ইলেক্ট্রিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন আকারে প্রচার করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে যদি সত্যিই সত্যিই উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হতে এ ধরনের পরিপূর্ণ দেশপ্রেমিক ও সৎ মানুষ বের হতো তাহলে তো বাংলাদেশে দুর্নীতি হওয়ার কথাই নয়। আসলে এগুলো কথার কথা বিজ্ঞাপনের ভাষা। প্রসপেক্টাসে লিখতে হয় সে জন্য লেখা। কিন্তু আমরা এর ব্যতিক্রম- কারণ আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, যা বলি তাই করি।

বিদ্যালয় সম্পর্কে অধ্যক্ষের বাণীঃ 

বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিম এলাকার সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত একটি জেলা দিনাজপুর। সব দিক থেকে বলা চলে অনগ্রসর একটি জেলা। এই জেলারই কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডাঃ এম আমজাদ হোসেন স্যারের ভাবনা প্রসূত- একটি বাক্য “আর নয় থেমে থাকা”। যার ফলশ্রুতিতে ২০০০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন একটি ফাউন্ডেশন। যার নামকরণ করা হয় “এ বি ফাউন্ডেশন”। এই ফাউন্ডেশনের আওতায় পরিচালিত বহুমুখী কার্যক্রমের মধ্যে প্রথম কার্যক্রম হিসেবে প্রথম পথচলা শুরু হয়  “আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল”। ২০০১ সালে শিক্ষাকার্য শুরু করার পর প্রথম পর্যায়ে স্কুল শাখা ও দবিতীয় পর্যায়ে কলেজ শাখা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পরিচালনা পর্ষদের সঠিক সুচিন্তিত নির্দেশনা ও শিক্ষকগণের আন্তরিকতা মিশ্রিত পাঠদানে শিক্ষার্থীরা ক্রমান্বয়ে যে সফলতা বয়ে এনেছে, দেশের উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা বিপ্লবে যে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, তা একটি শিক্ষিত জনশক্তি গঠনের মধ্য দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে যথার্থ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

আমার বিশ্বাসকে অটুট স্থায়ী করতে ২০০৩ সালে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাত্তন উপাধ্যক্ষ অধ্যপক সামসুল হক স্যার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে শিক্ষা, পরিচালনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করে ফাউন্ডেশনের আওতায় চলমান শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো ত্বরান্বিত করেন।

এবি  ফাউন্ডেশনের আওতাধিন “আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজটি” শিক্ষাবিদ, শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় পর্যায়ের অসংখ্য শুভানুধ্যায়িদের শুভ কামনা, দোয়া ও সহযোগিতা এবং শিক্ষাব্রতী শিক্ষার্থীদের প্রখর ইচ্ছাশক্তি অক্লান্ত পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে আধুনিক যুগোপযোগী গুণগত মান সম্পন্ন শিক্ষা বিস্তারে যে বিপ্লব ঘটিয়ে চলছে তা সত্যিই অভাবনীয়।

এমন সাফল্যে উদ্ভুদ্ধ হয়ে এবি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  অধ্যাপক ডাঃ এম আমজাদ হোসেন মহোদয় যুগোপযোগী শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মহোদয়ের লখ্য শিক্ষিত  জনশক্তি গঠনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলা ও সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দেওয়া এবং প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বিশ্বের দরবারে দেশের সম্মানকে সমুন্নত রাখা।

এখন আমরা বলতে পারি যে, ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধনে স্কুল প্রশাসনকে যুগোপযোগী তথ্য ও প্রযুক্তি সমৃদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিশ্চিত করতে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মহোদয় সফল হয়েছেন।

সুষম শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটি প্রথম শিক্ষাবর্ষে (২০০১) আমরা নার্সারী থেকে ৩য় শ্রেণী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছিলাম। সম্মানিত অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা পুরণের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত এবং ২০০৪ সালে শিক্ষাবর্ষে আমরা ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করেছি। ২০০৪ সালে নিন্ম মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে সরকার কতৃক অনুমতি পায়। ২০১০, ২০১১ এবং ২০১২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পর পর ৩ বার দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে ৩য় স্থান এবং ২০১৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে শিক্ষাবোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করে। পরবর্তী ২০১৪ সালে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে ৪র্থ ও ২০১৫ সালে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে। ২০১৪ সালে স্কুল পর্যায় থেকে কলেজ পর্যায়ে উন্নীত করে কলেজ শাখা চালু করা হয়। ২০১৬ সালে কলেজ শাখার প্রথম ব্যাচ চুড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় লেখাপড়ার পাশাপাশি সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম গুলিতেও উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আশাতীত সাফল্য বয়ে নিয়ে আসে। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় দৈনন্দিন বিঙ্গান বিভাগে অত্র প্রতিষ্ঠানের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র দেশ সেরা নির্বাচিত হয় এবং ২০১৭ সালে ৪ জন ছাত্র জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্স স্কাউট এ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

এভাবে বিভিন্নমুখী সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে ধিরে ধিরে আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজটি দেশের শেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম শীক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসিবে স্থান দখল করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস। এই স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞানের ও গুনের আলো ছড়িয়ে পড়ুক দেশে ও বিদেশে, ঐকান্তিক চেষ্টার মাধ্যমে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রতিষ্ঠান প্রধানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হাউস মাস্টার, সহ-হাউস মাস্তার ও হাউস প্রিফেক্টরিয়াল বোর্ড দ্বারা পরিচালিত ২টী হাউস বিদ্যালয়ে রয়েছে।

১. আলহাজ্ব শাহাদাৎউল্লাহ হাউস

২. সৈয়দা আনোয়ারা হাউস

৩. শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর হাউস

৪. ডাঃ শামীমা হাউস

এছাড়াও বিদ্যালয়টিতে সহ-পাঠ্য কার্যক্রম(সাংস্কৃতি,স্কাউটিংসহ প্রভৃতি), কো-কারিকুলাম এক্টিভিটি রয়েছে।

Dinajpur Today Facebook Page and Group

Leave a Reply

Your email address will not be published.