
ময়মনসিংহে নির্বাচনের দিন হামলা চালিয়ে তিন যুবককে আহত করার মামলায় জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তি আশরাফ আলী (৪৫) মহানগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাত সোয়া ১২টার দিকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক আব্দুল কাইয়ুম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী একই ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম। তার ছেলে মেহেদী হাসান জিহাদ পশ্চিম থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে রাত সাড়ে সাতটার দিকে মেহেদী হাসান জিহাদ ও শরীফুল ইসলামসহ তিনজন বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় প্রকৌশল কলেজের সামনে আশরাফ আলীর নেতৃত্বে একটি দল রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় জিহাদসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। মেহেদী হাসান জিহাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী।
ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০–২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এক নম্বর আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হন আশরাফ আলী।
এদিকে আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন সুজন।